ঈদের আগে বেতন-ভাতা ও হোটেল চালুর সহ ত্রাণের দাবিতে  পঞ্চগড়ে হোটেল শ্রমিকদের স্বারকলিপি    

ঈদের আগে বেতন-ভাতা ও হোটেল চালুর সহ ত্রাণের দাবিতে  পঞ্চগড়ে হোটেল শ্রমিকদের স্বারকলিপি    

ঈদের আগে বেতন-ভাতা ও হোটেল চালুর সহ ত্রাণের দাবিতে  পঞ্চগড়ে হোটেল শ্রমিকদের স্বারকলিপি    


 
               
পঞ্চগড় প্রতিনিধি  ঃঈদের আগে বেতন-ভাতা ও হোটেল চালুর সহ ত্রাণের দাবিতে পঞ্চগড়ে হোটেল শ্রমিকদের স্বারকলিপি   খাবার হোটেল চালু, নইলে পর্যাপ্ত ত্রাণ সহায়তা প্রদানের দাবিতে পঞ্চগড়ে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি প্রদান করেছে হোটেল শ্রমিকরা। সোমবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে স্মারকলিপি প্রদান করে তারা।

স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, ৪৬ দিন ধরে কর্মহীন অবস্থায় পরিবার পরিজন নিয়ে অর্ধাহারে অনাহারে দিনযাপন করছি। পঞ্চগড় পৌরসভা এক হাজার শ্রমিকের মধ্যে মাত্র একশ শ্রমিককে গত ০৭ এপ্রিল সামান্য কিছু ত্রাণ দিয়েছে। পর্যায়ক্রমে সকল শ্রমিককে ত্রাণ সহায়তার আশ্বাস দিলেও কাউকে ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী ৭৬০ কোটি টাকা শ্রমিকদের প্রণোদনা কর্মসূচি দ্রæত বাস্তবায়ন করা হোক। 

লকডাউন পর্যন্ত শ্রমিকদের খাবারের ব্যবস্থা করা হোক নতুবা হোটেল রেস্টুরেন্টগুলো খুলে দেওয়া হোক। ঈদ-উল-ফিতরের আগে বেতন-ভাতা, খাওয়া ও ঈদ বোনাস প্রদানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।
জেলা হোটেল ও রেস্টুরেন্ট শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি আব্দুল গণি সহ অনেক হোটেল শ্রমিকরা জানান, জেলায় ৫টি সংগঠনের এক হাজার ৮শ হোটেল শ্রমিক রয়েছে। কয়েকটি হোটেল মালিক পক্ষ ও সরকারি ভাবে কিছু শ্রমিককে ত্রাণ সহায়তা দিলেও অধিকাংশই এসব ত্রাণ থেকে বঞ্চিত রয়েছে। বর্তমানে এসব শ্রমিক পরিবার, পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।পৌর মেয়র মাত্র ১ শত শ্রমিককে ত্রাণ দিয়েছে। আর কেউ দেয়নি। আমরা কি করে খাবো’। আমাদের খবর কেউ নেয়না। হোটেল খুলে দিন নয় ‘তো ত্রাণ দিন।জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিন স্মারকলিপি গ্রহণ করে বলেন, সকল কর্মহীন মানুষকে ত্রাণ সহায়তা দেওয়া অব্যাহত রয়েছে। তবে স্মারকলিপির প্রেক্ষিকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।#