দিনাজপুরে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত ৬৯ জনের মৃত্যু নতুন ১৮ জনসহ মোট আক্রান্ত ৩৩৬১ জন ও সুস্থ ৩১৬৩ জন 

দিনাজপুরে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত ৬৯ জনের মৃত্যু নতুন ১৮ জনসহ মোট আক্রান্ত ৩৩৬১ জন ও সুস্থ ৩১৬৩ জন 

দিনাজপুরে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত ৬৯ জনের মৃত্যু  নতুন ১৮ জনসহ মোট আক্রান্ত ৩৩৬১ জন ও সুস্থ ৩১৬৩ জন 


এএনবি মাহবুবুল হক খান, দিনাজপুর থেকে ঃ দিনাজপুর জেলায় করোনায় আক্রান্ত আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৬৯ জন। গত ২৪ ঘন্টায় ১৮ জনসহ এ পর্যন্ত ৩৩৬১ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। আর গত ২৪ ঘন্টায় ৩ জনসহ এ পর্যন্ত  ৩১৬৩ সুস্থ হয়েছেন।
দিনাজপুর সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুছ জানান, শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘন্টায় ২৪৫টি নমুনা পরীক্ষার ফলাফল পাওয়া গেছে। এর মধ্যে নতুন করে ১৮ জনের দেহে করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগির সংখ্যা দাড়িয়েছে ৩৩৬১ জনে। এ পর্যন্ত ৬৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন আক্রান্ত ১৮ জনের মধ্যে দিনাজপুর সদর উপজেলায় একজন, কাহারোলে একজন, খানসামায় একজন ও পার্বতীপুর উপজেলায়  ১৫ জন। শনিবার শনাক্তের হার ছিল ৭ দশমিক ৭৪ শতাংশ।
জেলায় আক্রান্ত ৩৩৬১ জনের মধ্যে সদর উপজেলাতে সবচেয়ে বেশী ১৬১৩ জন। এছাড়া বিরলে ২২১ জন, বিরামপুরে ২৮৩ জন, বীরগঞ্জে ১০৭ জন, বোচাগঞ্জে ৯৫ জন, চিরিরবন্দরে ১৫২ জন, ফুলবাড়ীতে ১২৫ জন, ঘোড়াঘাটে ৮৩ জন, হাকিমপুরে ৮৩ জন, কাহারোলে ১১১ জন, খানসামায় ৭৮ জন, নবাবগঞ্জে ১০৮ জন ও পার্বতীপুর উপজেলায় ৩০২ জন। 
সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুছ জানান, জেলায় এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৬৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ২৪ জন, বিরলে ৫ জন, বিরামপুরে ৫ জন, বীরগঞ্জে ৩ জন, বোচাগঞ্জে ৩ জন, চিরিরবন্দরে ৮ জন, ফুলবাড়ীতে ৭ জন, হাকিমপুরে একজন, কাহারোলে ৫ জন, খানসামায় একজন, নবাবগঞ্জে দুইজন ও পার্বতীপুর উপজেলায় ৫ জন। জেলার ১৩টি উপজেলার মধ্যে ঘোড়াঘাট উপজেলায় এখন পর্যন্ত কারো মৃত্যু হয়নি।
তিনি আরো জানান, গত ২৪ ঘন্টায় ২৮৭টি নমুনাসহ এ পর্যন্ত ১৯০৬২টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। আর গত ২৪ ঘন্টায় ২৪৫টিসহ এ পর্যন্ত ১৮৯৮১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এছাড়া গত ২৪ ঘন্টায় ৫৯ জনসহ এ পর্যন্ত ২৪২৮৯ জনকে কোয়ান্টোইনে নেয়া হয়েছে। বর্তমানে হোম আইসোলেশনে রয়েছেন ১০৯ জন ও ১৫ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন বলে জানান সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুছ।