নির্বাচনে জয়লাভ করায় বাইডেনকে রিপাবলিকান নেতার অভিনন্দন

নির্বাচনে জয়লাভ করায় বাইডেনকে রিপাবলিকান নেতার অভিনন্দন

নির্বাচনে জয়লাভ করায় বাইডেনকে রিপাবলিকান নেতার অভিনন্দন

এএনবি (ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক) ঃ ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেন মার্কিন নির্বাচনে জয়ী হলেও এখন পর্যন্ত তাকে প্রেসিডেন্ট হিসাবে মেনে নিতে বা পরাজয় স্বীকার করে নিতে পারেননি বর্তমান প্রেসিডেন্ট ও রিপাবলিকান প্র্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমনকি নিজের জয়ের ব্যাপারে অনড় থেকে আগামীকাল সোমবার থেকে আইনি প্রক্রিয়ায় যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

বাইডেন ও কমলা

অবশ্য ট্রাম্প এমন অনড় অবস্থানে থাকলেও খোদ রিপাবলিকান পার্টির প্রভাবশালী নেতা মিট রমনি নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাইডেন ও ভাইস-প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

ট্রাম্পের সমালোচক ও রিপাবলিকান সিনেটর মিট রমনি এক টুইট বার্তায় তাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন বলে খবর দিয়েছে বিবিসি।

মিট রমনির টুইট

টুইটে তিনি লিখেছেন, তিনি ও তার স্ত্রী মনে করেন, তারা উভয়ই (বাইডেন ও কমলা) সজ্জন মানুষ এবং প্রশংসনীয় চরিত্রের অধিকারী। আমরা আশা করি, সামনের দিনগুলোতে সৃষ্টিকর্তা তাদের সহায় হবেন।
অন্যদিকে, জো বাইডেনের বিজয়ের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশের পর এক টুইট করেন রিপাবলিকান দলের সভানেত্রী রনা ম্যাকড্যানিয়েল।

এতে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে কে জিতবে আর কে হারবে- সে সিদ্ধান্ত মিডিয়া দিতে পারে না। সে সিদ্ধান্ত ভোটারদের।’

‘নির্বাচনে অনিয়ম ও জালিয়াতির তদন্ত করতে সময় লাগবে’ বলেও উল্লেখ করেন তিনি। 

মিসৌরির রিপাবলিকান সেনেটার জশ হলিও টুইটারে মিজ ম্যাকড্যানিয়েলের মত একই দাবি করেছেন।

রনা ম্যাকড্যানিয়েলের টুইট

এ ছাড়া মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের রিপাবলিকান সিনেটর জশ হলিও টুইটারে ম্যাকড্যানিয়েলের মতো একই দাবি করেছেন বলে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভোট গণনার শুরু থেকে দুই প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই লক্ষ করা যায়। কিন্তু এক পর্যায়ে নিজেকে বিজয়ী দাবি করেন ট্রাম্প। এর পর থেকেই নির্বাচন ও ভোট গণনা নিয়ে নানা অনিয়মের অভিযোগ করতে থাকেন তিনি। কিন্তু এর পক্ষে তিনি কোনো তথ্য-প্রমাণ দেখাতে পারেননি।

ট্রাম্প বা রিপাবলিকান দল এমন অভিযোগ করলেও নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ এক কর্মকর্তা বলেছেন, ‘কোনো রকম ভোট জালিয়াতির কোনো তথ্য-প্রমাণ তাদের কাছে নেই।’

এমনকি ইউরোপভিত্তিক একটি নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ সংস্থাও দাবি করেছে যে, নির্বাচনে কোনো জালিয়াতির ঘটনা ঘটেনি।