পঞ্চগড়ে  এক সাবেক চেয়ারম্যানের  করোনা শনাক্ত ঃ মোট শনাক্ত ২০ জন: সুস্থ ৭ জন

পঞ্চগড়ে  এক সাবেক চেয়ারম্যানের  করোনা শনাক্ত ঃ মোট শনাক্ত ২০ জন: সুস্থ ৭ জন

পঞ্চগড়ে  এক সাবেক চেয়ারম্যানের  করোনা শনাক্ত ঃ মোট শনাক্ত ২০ জন: সুস্থ ৭ জন


এএনবি পঞ্চগড় প্রতিনিধি ঃ পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায়  নমুনা সংগ্রহের পরীক্ষার পর এক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের শরীরে করোনা ভাইরাস সনাক্ত হয়েছে । তার বয়স ৬৫ বছর। তিনি বোদা উপজেলার সাকোয়া ইউনিয়নের প্রধানপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। এ নিয়ে জেলায় করোনা ভাইরাসের শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাড়ালো ২০ জনে।
 রবিবার (১৭ মে ) সন্ধায় এক ব্যাক্তির করোনা শনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেন পঞ্চগড় জেলা সিভিল সার্জন ডা. ফজলুর রহমান ।এদিকে বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোলেমান আলী জানিয়েছেন,ঢাকা থেকে ওই বৃদ্ধ তার স্ত্রীর লাশ নিয়ে বাসা ফেরার পরই ওই দিনই তার বাড়ি লকডাউন করা হয়েছিল। তবে করোনা সনাক্ত হওয়ার রির্পোট পাওয়ার পরপরই করোনা আক্রান্ত হওয়া ব্যক্তির বাড়ির আশপাশের কয়েকটি বাড়ি বাড়তি সতর্কতার জন্য লকডাউন করে রাখা হয়েছে।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, করোনায় সনাক্ত হওয়া  বোদা উপজেলার আক্রান্ত ব্যক্তি একজন বৃদ্ধ। তার স্ত্রী মারা যাওয়ায় গত ১৫ মে ঢাকা থেকে তার পরিবার সহ নিজ বাসায় ফেরেন। তবে ওই বৃদ্ধ ঢাকায় তার ছেলের বাসায় থাকতো। তার কিডনীর সমস্যা হওয়ায় সেখানে থেকে কিডনীর থেরাপী সহ চেকাপ করাতো। সে তার পরিবারের বাকী সদস্যরা সহ ঢাকা থেকে তার গ্রামের বাড়িতে ফিরলে তাদের সবাইকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। ১৫ মে ওই পরিবারের ৪ জনের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে প্রেরণ করলে রবিবার (১৭ মে)  ওই বৃদ্ধের নমুনার  রিপোর্ট পজেটিভ আসে। 
পঞ্চগড়ে এ পর্যন্ত নমুনা সংগ্রহ করে রংপুর ও দিনাজপুর এবং ঢাকা আইইডিসিআরে পাঠানোর পর ৭৮৭ জনের মধ্যে ৭৫৬ জনের রিপোর্ট এসেছে। এর মধ্যে পজিটিভ ২০ এবং ৭ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন। 
পঞ্চগড় সিভিল সার্জন ডা. ফজলুর রহমান  একজনের করোনা শনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে আরো জানান, ওই বৃদ্ধের পরিবারের ৪ জনের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে দিনাজপুর আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে প্রেরণ করলে তার নমুনার ফলাফল পজেটিভ আসে।তবে তার শারিরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক মনে হওয়ায় ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সেখানে তাকে আইসোলেশনে ভর্তি করানো হবে। তার বাকী চিকিৎসা সেখান থেকে করানো হবে। তবে ইতিমধ্যে ৭ জন করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন। তারা তাদের নিজ বাড়িতে আছে।