পঞ্চগড়ে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু। এক যুবকসহ ঢাকা ফেরত আরও ৪ জনের করোনা সনাক্ত ২৪ জন

পঞ্চগড়ে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু। এক যুবকসহ ঢাকা ফেরত আরও ৪ জনের করোনা সনাক্ত ২৪ জন

পঞ্চগড়ে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু। এক যুবকসহ ঢাকা ফেরত আরও ৪ জনের করোনা সনাক্ত ২৪ জন

পঞ্চগড় প্রতিনিধি : পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার সাকোয়া ইউনিযনের একজন সাবেক চেয়ারম্যান করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।এদিকে পঞ্চগড়ে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ ফেরত এক যুবকসহ আরও জনের করোনা সনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে আটোয়ারী উপজেলায় ১ জন এবং দেবীগঞ্জ উপজেলায় ৩ জন। সোমবার রাতে সিভিল সার্জন ডা ফজলুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ ফেরার পর আক্রান্ত ব্যক্তিদের বাড়ি লকডাউন করা হয়েছিল। তবে করোনা সনাক্ত হওয়ার রির্পোট পাওয়ার পর তাদের বাড়ির আশপাশের কয়েকটি বাড়ি বাড়তি সতর্কতার জন্য লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে আটোয়ারী উপজেলায় সনাক্ত ব্যাক্তি একজন গার্মেন্টস কর্মী। ১৪ মে তিনি নারায়ণগঞ্জ থেকে বাড়ি ফিরলে তাকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। অন্যদিকে দেবীগঞ্জ উপজেলার আক্রান্ত ৩ ব্যক্তির একজন ১১ মে ও অন্য ২ জন ১২ মে ঢাকা থেকে ফিরেন। ১৬ মে তাদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। এদিকে করোনায় আক্রান্ত হয়ে পঞ্চগড়ে বোদা উপজেলার সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান (৬৫) মারা গেছেন।মঙ্গলবার সকালে রংপুর মেডিকেল কলজে হাসপাতালরে আইসোলশেন ওর্য়াডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।পঞ্চগড়ের সিভিল র্সাজন ডা. মো. ফজলুর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।আমনিুর রহমানরে বাড়ি বোদা উপজলোর সাকোয়া ইউনিয়নের প্রধানপাড়া গ্রাম। তিনি কিডনি সমস্যায় ভুগছিলেন। নিয়মিত ডায়ালসিস করতে হতো। ঢাকায় তার ছেলের বাসায় থেকে তিনি চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।কয়কেদিন আগে ঢাকায় মারা যাওয়া স্ত্রীর লাশ নিয়ে তিনি পরিবারসহ নিজ বাসায় ফিরে এলে বাসাটি লকডাউন করাসহ পরবিাররে সবাইকে কোয়ারন্টোইনে রাখা হয়। গত ১৫ মে ওই পরিবারের চারজনরে শরীর থকেে নমূনা সংগ্রহ করে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলজে হাসপাতালরে পিসিআর ল্যাবে প্ররেণ করলে রোববার (১৭ মে) তাঁর নমুনার রিপোর্ট পজেটিভ আসে। তবে পরিবারের অন্য সদস্যদরে রিপোর্ট নেগেটিভ পাওয়া যায়। করোনা শনাক্ত হওয়ার রিপোর্ট পাওয়ার পর পরই করোনা আক্রান্ত হওয়া ব্যক্তির বাড়ির আশপাশরে কয়কেটি বাড়ি বাড়তি সতর্কতার জন্য লকডাউন করে রাখা হয় বলে জানান বোদা উপজলো নির্বাহী অফিসার মো. সোলায়মান আলী।তার অবস্থার দ্রুত অবনতি হলে সিভিল সার্জন সোমবার তাকে বিশেষ ব্যবস্থায় অ্যাম্বুলন্সেে করে ঢাকায় স্থানান্তর করেন। কিন্তু তার সন্তানরা অ্যাম্বুলেন্সের চালককে জোর করে রংপুর মেডিকেল কলজে হাসপাতালে ভর্তি করায়। সেখানে করোনার চিকিৎসা থাকলেও ডায়ালসিসের কোন ব্যবস্থা ছিল না। চিকিৎসকরা তাকে ঢাকায় নিয়ে যেতে বার বার অনুরোধ করলেও সন্তানদরে রাজি করাতে পারনেনি বলে রংপুর মডেকিলে কলজে হাসপাতালরে চিকিৎসক এস এম নূরুন নবী অভিযোগ করেন। সিভিল র্সাজন জানান, এ র্পযন্ত জেলার ৮১৩ জনরে মধ্যে ৭৮৫ জনের রিপোর্ট পাওয়া গেছে। এতে ২৪ জনরে পজেটিভ রিপোর্ট পাওয়া যায়। এদের মধ্যে ৮ জন সুস্থ হয়ে বাড়িতে অবস্থান করছেন।