পঞ্চগড়ে সাহেব আলী নৌকার মাঝি হতে চায় ‘ বেংহাড়ি ইনিয়নবাসির কাছে জনপ্রিয়  হয়ে উঠেছেন  তিনি  

 পঞ্চগড়ে সাহেব আলী নৌকার মাঝি হতে চায় ‘ বেংহাড়ি ইনিয়নবাসির কাছে জনপ্রিয়  হয়ে উঠেছেন  তিনি  

 পঞ্চগড়ে সাহেব আলী নৌকার মাঝি হতে চায় ‘ বেংহাড়ি ইনিয়নবাসির কাছে জনপ্রিয়  হয়ে উঠেছেন  তিনি  

  
এএনবি মোঃ কামরুল ইসলাম কামু পঞ্চগড়,প্রতিনিধি ঃ  নাম সাহেব আলী। কিন্তু আচরণ অতি সাধারন একজনের মতো। জনপ্রিয়তায় উৎকর্ষতায় বেশ সাফল্য পেয়েছেন তিনি। হাব-ভাব নেই। চলনে-বলনে অতি ভদ্র মানুষ একজন এই সাহেব আলী। পেশায় একজন ব্যবসায়ি। সমাজ সেবা তার ধর্ম। ব্যবসার পাশাপাশি অবসরে মিশে যান সব শ্রেণির মানুষের সাথে। নিরঅহঙ্কার একজন মানুষ। তিনি কোনো বাজে আড্ডায় নেই। জন মানুষের একজন নেতার মতো তার চলাফেরা। র্দীঘ ৪০ বছর যাবত তিনি কাঠ ব্যবসার সাথে জড়িত। সৎ ব্যবসায় তিনি আজ সমাজে প্রতিষ্ঠিত। এক নামে পঞ্চগড় জেলার মানুষ তাকে চেনেন। নাম বললে কেউ বলবে না মানুষটি মন্দ। যুগে যুগে মানুষ পদ-পদবি পেলে বদলায় ‘ তবে সাহেব আলী বদলবে না‘ এটি বলছেন গ্রামের সব শ্রেণির মানুষ। তিনি নিজেও বলেন ‘ আমি সাধারন মানুষের সেবা করে বাকি জীবনটা কাটাতে চাই। তিনি বয়সে একজন মুরব্বী। সকলের শ্রদ্ধাভাজন হয়ে আছেন ‘ মনে প্রাণে।
তিনি পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার বেংহাড়ি ইউনিয়নের তেপুখুরিয়ার স্থায়ি বাসিন্দা। রাজনীতির প্লাট ফরম তার আওয়ামীলীগে। সেই ১৯৮৫-৯০ সাল থেকেই তিনি বঙ্গবন্ধুর আর্দশে রাজনীতির সাথে জড়িত। কতো সরকার পরিবর্তন হয়েছে ‘ তবে তিনি এ দলেই আছেন। বর্তমান বেংহাড়ি  ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি। মরহুম বীরমুক্তিযোদ্ধা এড. সিরাজুল ইসলামের হাত ধরেই তিনি আওয়ামীগের রাজনীতিতে সক্রিয়।
উত্তরাঞ্চল তথা বাংলাদেশের সু-পরিচিত নেতা মরহুম বীরমুক্তিযোদ্ধা এড. সিরাজুল ইসলাম যখন পঞ্চগড় জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ছিলেন তখন তিনি বেংহাড়ির সাবেক ৩ নং ওয়ার্ডের সভাপতি করেন এই সাহেব আলীকে। জনদরদী ও সমাজসেবক সাহেব আলী বলেন ‘ আমি এখন মরহুম বীরমুক্তিযোদ্ধা এড. সিরাজুল ইসলামের ছোট ভাই ‘ রেলমন্ত্রী এড. নুরুল ইসলাম সুজন এমপি’র সাথে রাজনীতি করি’। আমাকে ইউনিয়নবাসি চায় ‘ আমাকে তারা ভোট দিয়ে‘ তারা আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান করবেন। আমি জানি ‘ আমি নির্বাচন করলে ‘ ইউনিয়নবাসি আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন’। তার মতে ‘ ইউনিয়ন বাসি জানিয়েছে ‘ আপনি দলীয় প্রতীক পান আর না পান ‘ আমরা আপনার সাথে আছি।’ তবে আমি শতভাগ নিশ্চিত আমি নির্বাচন করলে বিপুল ভোটে জয়লাভ করবো’। দল-বল নির্বিশেষে সবাই আমার পাশে আছে এবং থাকবে’। ইউনিয়নবাসি এখন অপেক্ষা করছে ‘ জনস্্েরাত আমার দিকে। ইউনিয়নের তেপুখুরিয়া, ফুলতলা, মানিকপীর সর্বত্র এখন আলোচনায় সাহেব আলীকে চেয়ারম্যান করবো।’
ইউনিয়নের একাধিক মানুষের সাথে কথা বললে ‘ দেখা যায়  শতকরা ৯০ শতাংশ মানুষ তার কথাই বলছে। জনসাধারনের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়তায় সাহেব আলী। যা একটি নজির এই ইউনিয়নে। সাহেব আলী এখন জনগনের প্রত্যাশা পূরণে প্রতি শুক্ররবার ইউনিয়নের মসজিদ গুলিতে মুসল্লীদের সাথে কথা বলছেন মত বিনিময় করছেন।
 সাহেব আলী একজন সমাজে সেবক ও ব্যবসায়ি হলেও শিক্ষানুরাগি বটে। তিনি একধারে কয়েকটি শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের সভাপতি। তার মধ্যে  ঝলঝলি ফয়জুল উলুম হাফেজিয়া নুরানী মাদ্রাসা ,তেপুখুরিয়া আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও বটতলী দিব্-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি।এছাড়া তেপুখুরিয়া বাজার মসজিদ, তেপুখুরিয়া পশ্চিম ঈদগাহ মাঠের সভাপতি। আছেন ইউনিয়নের ৮ নংয় ওর্য়াড পুলিশিং কমিটির সভাপতি। সব মিলিয়ে এবারে জনসর্মথনে সবার বেশ গ্রহনযোগ্য হয়ে উঠেছেন সাহেব আলী নামের এই নির অহঙ্কারী মানুষটি।