পঞ্চগড়ে খাদ্য গুদামে চাল সংগ্রহে ধীরগতি; ধান দিতে আগ্রহ নেই কৃষকের

বারে প্রতিকুল আবহাওয়ার কারনে ধানের ফল হতাশাজনক হওয়া এবং বাজারদর বেশি হওয়ায় মিলাররা চাল দিতে তেমন আগ্রহ দেখাচ্ছে না।জেলায় মোট চুক্তিবদ্ধ মিলারের সংখ্যা ৪২৬ জন। খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পঞ্চগড় সদর খাদ্য গুদামে চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ২৩০০ মেট্রিক টন। ১৪ জুলাই পর্যন্ত কেনা হয়েছে ৮০০ মেট্রিক টন। সদরে চুক্তিবদ্ধ মিলারের সংখ্যা ৮৮ জন। চাল দিচ্ছে মাত্র ২০ জনের মতো মিলার।

পঞ্চগড়ে খাদ্য গুদামে চাল সংগ্রহে ধীরগতি; ধান দিতে আগ্রহ নেই কৃষকের

পঞ্চগড়  প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের খাদ্য বিভাগে চাল সংগ্রহ অভিযানে গতি নেই। সরকারি ক্রয় মূল্য ও বাজার দর সমপরিমান হওয়ায় এ অবস্থা তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে। 

পঞ্চগড়ের পাঁচ উপজেলার ৮ টি খাদ্য গুদামে বোরো চাল সংগ্রহের লাক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ হাজার ২০০ মেট্রিক টন। অথচ গত ১৪ জুলাই পর্যন্ত এসব খাদ্য গুদামে চাল সংগ্রহ করা হয়েছে ২৩০০ মেট্রিক টন।

এবারে প্রতিকুল আবহাওয়ার কারনে ধানের ফল হতাশাজনক হওয়া এবং বাজারদর বেশি হওয়ায় মিলাররা চাল দিতে তেমন আগ্রহ দেখাচ্ছে না।জেলায় মোট চুক্তিবদ্ধ মিলারের সংখ্যা ৪২৬ জন। খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পঞ্চগড় সদর খাদ্য গুদামে চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ২৩০০ মেট্রিক টন। ১৪ জুলাই পর্যন্ত কেনা হয়েছে ৮০০ মেট্রিক টন। সদরে চুক্তিবদ্ধ মিলারের সংখ্যা ৮৮ জন। চাল দিচ্ছে মাত্র ২০ জনের মতো মিলার।

এদিকে সদর খাদ্য গুদামে ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ৩০৮ মেট্রিক টন। কেনা হয়েছে মাত্র ২৬ মেট্রিক টন। সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়েছে গত ১ এপ্রিল ২০২০ইং। সংগ্রহ অভিযানের সময় প্রায় ৪ মাসে পড়েছে। চাল প্রতি কেজি দর র্নিধারণ করা হয়েছে ৩৬ টাকাও ধান ২৬ টাকা।ধান স্রংগহের মোট লক্ষ্যমাত্রা ৫২০০ মেট্রিক টন। সংগ্রহ হয়েছে মাত্র ৩০০ মেট্রিক টন।

পঞ্চগড় সদর উপজেলার চুক্তিবদ্ধ মিলার মো. আব্দুস সামাদ বলেন ‘ চাল দিয়ে এবার বড় ধরনের লোকসানে পড়বো’। কারন বাজারে ধান বিক্রি হচ্ছে ৯০০ টাকা ্রপতি মন। যেখানে গতবার ছিলো ৫৭০ থেকে ৫৮০ টাকা। ‘যে চাল গুদামে দিচ্ছি এই চাল বাজারে ৩৬ টাকা থেকে ৩৮ টাকা প্রতি কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আশায় আছি ধানের বাজার যদি কমে।’ তিনি বলেন ‘ যদি আরো ২ টাকা কেজিতে বাড়িয়ে দিতো তাহলে বিষয়টি এমন হতোনা’।

এদিকে বাজারে ধান বিক্রি হচ্ছে ৯৭০ থেকে ৯৮০ টাকা। কৃষকরা বাজারেই ধান বিক্রি করছে। কারন সরকারি ভাবে ধানের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘১০৪০ টাকা। কৃষক কেরিং খরচ ‘ ব্যাংকে গিয়ে বিল নেওয়া ও যাতায়াত সহ নানাবিধ ঝামেলার কারনে গুদাম মুখি হচ্ছেনা।

সদর খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. খলিলুর রহমান জানান ‘ বাজারদর বেশি তবে লক্ষ্যমাত্রা পূরনে চেষ্টা করে যাচ্ছি।তবে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের মুঠো ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি’। ঠাকুরগাঁও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. মনিরুল ইসলাম পঞ্চগড় জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের অতিরিক্ত দায়িত্বে আছেন।