পঞ্চগড়ে থেমে থেমে বৃষ্টি জনদূর্ভোগ বেড়েছে সবজির দাম 

পঞ্চগড়ে থেমে থেমে বৃষ্টি জনদূর্ভোগ বেড়েছে সবজির দাম 

পঞ্চগড়ে থেমে থেমে বৃষ্টি জনদূর্ভোগ বেড়েছে সবজির দাম 

        

এএনবি পঞ্চগড় প্রতিনিধি ঃ কদিন আগেই কাচাঁমরিচ প্রতি কেজির দর ছিলো ২০ টাকা। এখন সেই কাচাঁমরিচ ১৪০ টাকা কেজি দরে কিনতে হচ্ছে। বর্ষার প্রভাবে কাঁচা বাজার যেন অস্থির। বেগুন, ঝিঙ্গা, পটল, কচু,ভেন্ডি, বরবটি সহ সব সবজির দর এখন বৃদ্ধি পেয়েছে। পঞ্চগড় বাজার ঘুরে দেখা গেছে সব সবজির প্রতি কেজি ৪০ টাকার নীচে নয়। গেলো শক্ররবার থেকে সবজির বাজার বেশ চড়া। করোনার দূর্যোগ আর আষাঢ়ের বৃষ্টি দুই মিলিয়ে যেনো মরার উপড় খড়ার ঘাঁ। বর্ষণে নিমাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। শ্রমজীবি সহ মধ্যবিত্তরা পড়েছে বেকায়দায়। রিকসা অটো চালকরা দিনে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা আয় করলেও বাজারে গিয়ে চোখ যেনো কপালে ওঠার অবস্থা। একদিনের বাজার করতেই লাগে ২০০  থেকে ৩০০ টাকা সদাই। ছেলে-মেয়েদের স্কুল পড়াশোনার ব্যয় ভার সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে এসব পরিবারগুলি।একজন ব্যাটারি চালিত রিকসা চালক জানান ‘ তিনি মালিকের রিকসা চালান ‘ দিনে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা আয় হয়। এই টাকা থেকে মালিককে দিতে হয় ‘ ২০০ টাকা। পরিবার পরিজন নিয়ে কোনরকম চলছেন। তবে তাদের মনেও কি যেনো অজানা ভয়-শঙ্কা আর চিন্তার ছাপ। করোনা নিয়ে চিন্তার যেন অন্ত নেই কারো।
বৃষ্টি কারনে সবজির দাম বেড়ে যাওয়ায় আরো বেকায়দায় পড়েছেন শ্রমজীবী ও নিম্মআয়ের মানুষেরা। কাচাঁ মরিচ বর্তমানে ১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। যা কদিন আগে ছিলো মাত্র ২০ টাকা কেজি। ঝিঙ্গা, পটল, ঢেড়ষ,ভেন্ডি, কচু, পটল সহ সব কাঁচা সবজি এখন ৪০ টাকার নীচে নয়।
এছাড়া ঈদকে সামনে রেখে সোনালি মুরগীর দাম এখন আকাশ ছোঁয়া। ২২০ টাকার মুরগী এখন প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৭০ টাকা। বয়লার ১৫০ টকা ও লেয়ার ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পিয়াঁজের দাম এখন হাতের নাগালে। এলসি’র পিঁয়াজ ২০ টাকা ও দেশি পিয়াঁজ ৪০ টাকা প্রতি কেজি।
বিক্রেতাগন বরছেন ‘কৃষকদের জমিতে বৃষ্টির পানি জমে থাকায় সবজি তুরতে পারছেনা । তাই বাজারে সরবরাহ কম থাকায় বেড়েছে দাম। বৃষ্টি কমে আসলে সবজির বাজার স্বাভাবিক হবে।
এদিকে করোনা পরিস্থিতির কারনে অভিবাবকরা বেশ উদ্বিগ্ন । স্কুল-কলেজ ভার্সিটি পড়–য়া ছেলে-মেয়েরা এখন বাবা-মায়ের জন্য চিন্তার বিষয় হয়ে দেখা দিয়েছে। প্রায় শতভাগ ছেলে-মেয়ে বিদ্যাপীঠ ছেড়ে বাড়িতে অবস্থান করছে। তারপরেও ম্যাসভাড়া দিতে গিয়ে বড় বেকায়দায় আছেন শিক্ষার্থী অভিবাবকরা।