প্রথম মুসলিম রাষ্ট্রদূত নিয়োগ দিলো ইসরায়েল

প্রথম মুসলিম রাষ্ট্রদূত নিয়োগ দিলো ইসরায়েল

প্রথম মুসলিম রাষ্ট্রদূত নিয়োগ দিলো ইসরায়েল

এএনবি (ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক)  ঃ প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রদূত হিসেবে এক আরব বেদুইনকে নিয়োগ দিয়েছে ইসরায়েল। ইসমাইল খালেদি নামের এই মুসলিমকে আফ্রিকার দেশ এরিত্রিয়ার রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

জেরুজালেম পোস্টের খবরে বলা হয়, সম্প্রতি তিন নারীসহ মোট ১১ জন কূটনীতিককে নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে ইসরায়েল। তাদের একজন ইসমাইল খালেদি। তিনি ইসরায়েলে বসবাস করা আরব বেদুইনদের মেষপালক গোত্র থেকে উঠে এসেছেন।

ইসমাইল খালেদি ক্ষমতাসীন লিকুদ পার্টির একজন আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত। ২০০৪ সালে ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ পান তিনি। এরপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকো দূতাবাস এবং যুক্তরাজ্যের দূতাবাসেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

একজন মুসলিম হয়েও প্রচণ্ড ইহুদিবাদী একটি রাষ্ট্রের এমন পর্যায়ে আসতে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে তাকে। আন্তর্জাতিক মিডিয়াগুলো বলছে, মূলত নিজেদের বর্ণবাদী অপবাদ ঘোচানোর জন্যই প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রদূত হিসেবে এক আরব বেদুইনকে নিয়োগ দিয়েছে ইসরায়েল।

একজন কূটনীতিক হলেও নিজ দেশের দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে সব সময় সরব থেকেছেন ইসমাইল খালেদি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সহায়তায় ইসরায়েলে আরব বেদুইনদের বৈষম্যের বিষয়টি বিশ্বব্যাপী ফলাও করে প্রচার করেছেন।

এই মুসলিম ইসরায়েলের হাইফা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি এবং তেলআবিব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। 'অ্যা শেফার্ডস জার্নি: দ্যা স্টরি অফ ইসরায়েল ফার্স্ট বেদুইন ডিপ্লমেট' নামে গত বছরের জুনে তার একটি বই প্রকাশিত হয়।

সেখানে একজন মেষপালক থেকে কিভাবে ইসরায়েলের মতো একটি ইহুদিবাদী রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কূটনীতিক হয়ে উঠেছেন, সেই বর্ণনা তিনি করেছেন। উঠে এসেছে বর্ণবৈষম্যের কথাও।