মধুমাসের শুরুতে রংপুরের বাজারে নেমেছে স্থানীয় জাতের আম ও লিচু

মধুমাসের শুরুতে রংপুরের বাজারে নেমেছে স্থানীয় জাতের আম ও লিচু

মধুমাসের শুরুতে রংপুরের বাজারে নেমেছে স্থানীয় জাতের আম ও লিচু


এএনবি আসাদুজ্জামান আফজাল রংপুর
মধুমাসের শুরুতেই রংপুরের বাজারে নেমেছে স্থানীয় জাতের আম ও লিচু। তবে ফলগুলো সুস্বাদু কম হওয়ায় বেচাকেনা ও কম। ক্রেতারা বলছেন নতুন মাসের ফল হওয়ায় পরিবারের সকলেই মিলে একটু উপভোগ করার জন্য কেনাকাটা করছি। ব্যবসায়ীরা বলছেন বছরের শুরুর দিকে হওয়ায় মিষ্টি কিছুটা কম। সব ফল এখনও নামেনি। কয়েকটা দিন গেলে ও বাজারের ফলের সরবরাহ বাড়লেই রসালো ফল পাওয়া যাবে। নগরীর হাড়িপট্টি রোড, রাজারামমোহন মার্কেট ও সিটি বাজারের সামনে দেখে  মিলছে এসব স্থানীয় জাতের ফলের। অন্যান্য ফলের দোকানে আপেল, মাল্টা, তরমুজ, বাঙ্গি থাকলেও ফল রসনাবিলাশীদের পছন্দ নতুন মৌসুমের আম ও লিচুর। তবে রংপুরের নামকরা হাড়িভাঙ্গা ও রাজশাহীর ফজলি, লেংরা, গোপালভোগ আমও এখনও বাজারে আসা শুরু করেনি। অপরদিকে দিনাজপুরের বোম্বাই লিচু নামতেও আরো কিছু দিন সময় লাগবে। ফল কিনতে আসা বেলায়েত হোসেন, আকতারুজ্জামান ও মোতালেব জানান, জ্যৈষ্ঠ মাস ফলের মাস। গরমের সাথে সাথেই মিলে নানা রকমের রসালো ফলের। পরিবারের সকলের একটা চাহিদা থাকে আম ও লিচুর স্বাদ নেয়ার। একারণে কিছু ফল কিনতে এসেছি। মুল্য একটু কম রাখলে আমাদের জন্য ভালো হয়ে। ফল বিক্রেতা ইসমাইর হোসেন জানান, এবার করোনা ভাইরাসে সব লকডাউন থাকায় সময় মতো অনেক ফল বাজারে উঠেনি। বাজারে এখন ক্ষিরসা আম ১শত টাকা কেজি ও লালমনিরহাটের লিচু ১শ ও২৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতা একটু কম থাকলেও কদিনে বিক্রি আরো আড়বে। আমরা সাধারণত ভালো ফল বিক্রি করে থাকি। সব ফল আমরা কিনি না। তাছাড়া সময় মেনে দোকান পরিচালনা করায় ক্রেতা কিছুটা কম।