যুক্তরাষ্ট্রকে ‘সতর্ক’ করতে দুটি মিসাইল ছুড়লো চীন

যুক্তরাষ্ট্রকে ‘সতর্ক’ করতে দুটি মিসাইল ছুড়লো চীন

যুক্তরাষ্ট্রকে ‘সতর্ক’ করতে দুটি মিসাইল ছুড়লো চীন

এএনবি (ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক) ঃ দক্ষিণ চীন সাগরের বিতর্কিত অঞ্চলে সামরিক মহড়া চালাচ্ছে বেইজিং। এ অবস্থায় অল্প সময়ের ব্যবধানে ওই এলাকায় প্রবেশ করেছে দুটি মার্কিন গোয়েন্দা বিমান। বিষয়টি নিয়ে ওয়াশিংটনকে সতর্কও করেছে বেইজিং। তবে এবার চীন ওই অঞ্চলে দুটি ক্ষেপণাস্ত্রও নিক্ষেপ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রকে বার্তা দিতেই দেশটি মিসাইল নিক্ষেপ করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ চীন সাগরে বিতর্কিত জলরাশিতে চলছে চীনা সেনাবাহিনীর সামরিক মহড়া। এ কারণে ওই অঞ্চলের আকাশের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ‘নো ফ্লাই জোন’ বা বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

বেইজিং অভিযোগ করছে, গত মঙ্গলবার মার্কিন ইউ-২ মডেলের গোয়েন্দা বিমান ‘নো ফ্লাই’ জোন এলাকায় প্রবেশ করে। এর একদিন পর আরসি-১৩৫এস মডেলের অন্য একটি গোয়েন্দা বিমান চীনা বাহিনীর গতিবিধি জানতে ওই অঞ্চলে আবার টহল দেয় । এর পরই চীনের পক্ষ থেকে কূটনৈতিক স্তরে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়। তবে শুধু প্রতিবাদ জানিয়েই বসে থাকেনি চীন। বরং ওই অঞ্চলে মার্কিন বাহিনীর তৎপরতাকে সতর্ক করতে দুটি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে চীনা বাহিনী।

জানা যায়, এর একটি ক্ষেপণাস্ত্র হলো ডিএফ-২৬। যা ৪ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত আঘাত হানতে সক্ষম। তাছাড়া জল ও স্থলে পারমাণবিক অস্ত্র নিয়েও হামলা সক্ষম অত্যাধুনিক এই ক্ষেপণাস্ত্রটি। অপর ক্ষেপণাস্ত্রটি হচ্ছে ডিএফ-২১। যা ১ হাজার ৮০০ কিলোমিটার পর্যন্ত হামলা চালাতে সক্ষম। মূলত চীনা বাহিনী এটিকে যুদ্ধবিমানবাহী রণতরীর বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য তৈরি করেছে। চীনের হাইনান প্রদেশ এবং বিতর্কিত পারাসেল দ্বীপপুঞ্জের মাঝামাঝি অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র দুটি ছোড়া হয়।

প্রসঙ্গত, দক্ষিণ চীন সাগরে গত মাসেই সামরিক মহড়া চালিয়েছে মার্কিন নৌবাহিনীর এয়ারক্রাফ্ট ক্যারিয়ার-ইউএসএস নিমিটজ এবং ইউএএ রোনাল্ড রিগান। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চীন ইচ্ছা করলে যে মার্কিন রণতরী ডুবিয়ে দিতে পারে- দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার মাধ্যমে সে বার্তাই দিয়েছে বেইজিং।