করোনা রোগীর সাথে নেতিবাচক আচরন পরির্বতনের বার্তা পঞ্চগড় পুলিশ সুপারের করোনা আক্রান্তদের বাড়িতে বাড়িতে উপহার সামগ্রী

     করোনা রোগীর সাথে নেতিবাচক আচরন পরির্বতনের বার্তা পঞ্চগড় পুলিশ সুপারের                   করোনা আক্রান্তদের বাড়িতে বাড়িতে উপহার সামগ্রী

     করোনা রোগীর সাথে নেতিবাচক আচরন পরির্বতনের বার্তা পঞ্চগড় পুলিশ সুপারের  করোনা আক্রান্তদের বাড়িতে বাড়িতে উপহার সামগ্রী

 
 এএনবি পঞ্চগড় প্রতিনিধি ঃ  মহামারি করোনার থাবা পঞ্চগড়ে ও পড়েছে। এ জেলাতে ও দিন দিন করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। গত ১৭ এপ্রিল প্রথম একজন করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এর পর দিন দিন বেড়েই চলছে করোনা আক্রান্ত রোগী। বুধবার পর্যন্ত জেলায় ৩২ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। একজন ইতিমধ্যে মারা গেছে। এদের ৩০ জনই বাইরে থেকে আসা। এক জন অন্যজনের কাছ থেকে আক্রান্ত। একজন ভারত ফেরত। এ নিয়ে মানুষের মনে উদ্বেগ উৎকন্ঠার শেষ নেই। অনেকেই করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তি ও তাঁর পরিবারের প্রতি অসহিঞ্চু হয়ে উঠছেন। 
প্রতিবেশিদের আচরণে করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের যখন সাহস ও মনোবল হারিয়ে ফেলার মত অবস্থা, তখন তাদের পাশে দাঁড়িয়ে সাহস দিচ্ছেন পঞ্চগড়ের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইউসুফ আলী। পাশাপাশি লোকজনের নেতিবাচক আচরণ পরিবর্তনের বার্তা প্রচার করছেন। গত কয়েকদিনে পুলিশ সুপারের বার্তাসহ একঝুড়ি ফলমূল ও উপহার সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন করোনায় আক্রান্ত আইসোলেশনে থাকা করোনা রোগীদের মাঝে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে পুলিশ সুপারের পক্ষে থানার পুলিশ কর্মকর্তারা এই বার্তা ও উপহার সামগ্রী পৌঁছে দেন। করোনাসহ পঞ্চগড়ের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জেলা পুলিশের ভূমিকা ও পুলিশ সুপারের এমন উদ্যোগকে অনেকেই সাধুবাদ জানিয়েছেন।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইউসুফ আলী জানান, করোনায় আক্রান্ত রোগী ও তাঁদের পরিবারের প্রতি অনেকেই অমানবিক আচরণ করছেন। এতে অনেক রোগী সাহস ও মনোবল হারিয়ে ফেলছেন। সবার নিয়মিতভাবে চিকিৎসার খোঁজ খবর নিচ্ছি। তাদের অভয় দিয়ে বলছি, জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি পুলিশ প্রশাসন আপনার পাশে আছে। সাহস ও মনোবল হারাবেন না, করোনা পরাজিত হবেই।’ এদিকে পঞ্চগড়ের সিভিল সার্জন ডা. ফজলুর রহমান জানান, জেলায় এ পর্যন্ত ৯৬৬ জনের মধ্যে ৮২০ জনের পরীক্ষার ফলাফলে ৩২ জনের করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে। ১০ জন করোনামূক্ত হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এছাড়া অন্য আক্রান্তদের বাড়িতে আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে।