দিনাজপুর শহরের প্রাণকেন্দ্র চাউলিয়াপট্টি মোড় হতে শহীদ মিনার মোড় পর্যন্ত রাস্তার বেহাল দশা  

দিনাজপুর শহরের প্রাণকেন্দ্র চাউলিয়াপট্টি মোড় হতে শহীদ মিনার মোড় পর্যন্ত রাস্তার বেহাল দশা  

দিনাজপুর শহরের প্রাণকেন্দ্র চাউলিয়াপট্টি মোড় হতে শহীদ মিনার মোড় পর্যন্ত রাস্তার বেহাল দশা  


 এএনবি মাহবুবুল হক খান, দিনাজপুর প্রতিনিধি  ঃ দিনাজপুর জেলা শহরের প্রাণকেন্দ্র চাউলিয়াপট্টি মোড় হতে চাউলিয়াপট্টি শহীদ মিনার মোড় পর্যন্ত রাস্তাটির বেহাল দশা। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি সংস্কার না হওয়ায় খানাখন্দে ভরে গেছে। ফলে প্রায়ই ঘটছে দূর্ঘটনা। এ রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী যানবাহন ও পথচারীকে প্রতিনিয়ত চরম দূর্ভোগের শিকার হতে হয়।
দিনাজপুর শহরের চাউলিয়াট্টিপট্টি এলাকায় সরকারী ৩টি দপ্তর যথাক্রমে দিনাজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস, জেলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর। এ ছাড়া একই এলাকাতে রয়েছে চাউলিয়াপট্টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বেসরকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দিনাজপুর ইনস্টিটিউট অব সাইন্স এন্ড টেকনোলজি ডিআইএসটিসহ বিভিন্ন দোকানপাট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। 
এই পথ দিয়ে প্রতিদিন শহরের কাঞ্চন কলোনী, লালবাগ, গোবরাপাড়া, রামনগরসহ বিভিন্ন এলাকার চাকুরীজিবী মানুষ, স্কুল-কলেজ ও মাদরাসার ছাত্রছাত্রীসহ শত শত যানবাহন, সাধারন মানুষ চলাচল করে। এছাড়া এই রাস্তা দিয়ে বিরল, কাহারোল, বোচাগঞ্জসহ জেলার ১৩টি উপজেলার স্কুুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মকর্তা কর্মচারীগন অফিসের নানা কাজে জেলা প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষাদপ্তরে এসে থাকেন। বিগত কয়েক বছর আগে জনবহুল এ রাস্তাটি সংস্কার করা হলেও বর্তমানে এ রাস্তাটি আর সংস্কার করা হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি সংস্কার না করায় বর্তমানে রাস্তাটির বেহাল দশা। সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। রাস্তার দু’পাশের দোকানীসহ চলাচলকারী সাধারণ মানুষ বর্ষা মৌসুম আসলে আতংকের মধ্যে থাকেন, কখন যেন যানবাহনের চাকার ছিটকে আসা নোংরা কাদা পানি ঘরের দোকানে ও মানুষের গায়ে এসে পড়ে সবকিছু নষ্ট করে দেয়। 
তাই এই রাস্তাটি দ্রæত সংস্কার করে ভোগান্তি হতে মুক্তি দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট দাবী জানিয়েছেন চাউলিয়াপট্টি, লালবাগ, গোবরাপাড়াসহ এ রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী ভূক্তোভোগী ছাত্রছাত্রী ও সাধারণ মানুষ।
এ ব্যাপারে দিনাজপুর পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড কাউন্সিরল মো. মোস্তফা কামাল মুক্তি বাবু জানান, মেয়র এই রাস্তাটি মেরামতের ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোন উদ্যোগে নেননি। আমি ব্যক্তিগতভাবে রাস্তায় সুড়কি ফেলে রোলার করে রাস্তাটি সাময়িক চলাচলের উপযোগি করার উদ্যোগ নিয়েছি। ইতোমধ্যে রাস্তায় কিছু সুড়কি ফেলা হয়েছে। আগামী দু’এক দিনের মধ্যে বাকী জায়গায় সুড়ক ফেলে রোলার করে রাস্তাটি মেরামত করা হবে বলে জানান কাউন্সিরল মো. মোস্তফা কামাল মুক্তি বাবু।