পঞ্চগড়ে বিজিবি-পুলিশ সহ  আরো ৭ জন করোনা রোগী শনাক্ত

পঞ্চগড়ে বিজিবি-পুলিশ সহ  আরো ৭ জন করোনা রোগী শনাক্ত

পঞ্চগড়ে বিজিবি-পুলিশ সহ  আরো ৭ জন করোনা রোগী শনাক্ত

 
 পঞ্চগড় প্রতিনিধি\ থেমে গিয়ে ও আবারো শনাক্ত হচ্ছে করোনা পজেটিভ রোগী।  আবারো সাতজনের শরীরে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব শনাক্ত হয়েছে। সোমবার রাতে পঞ্চগড় সিভিল সার্জন এ তথ্য নিশ্চিত করেছন।এদের মধ্যে সদর উপজেলায় চারজন, বোদা উপজেলায় দুইজন, দেবীগঞ্জ উপজেলায় একজন। সদর উপজেলায় চারজনের মধ্যে বিজিবি ও পুলিশ সদস্য রয়েছে। এ নিয়ে পঞ্চগড় জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৫৮ জনে।তিনি জানান, জেলায় এ পর্যন্ত ২২২০ জনের নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআর, রংপুর মেডিকেল কলেজ এবং দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।সোমবার পর্যন্ত ২১৮৭ জনের ফলাফল পঞ্চগড় জেলা স্বাস্থ্য বিভাগে এসেছে।
এর মধ্যে ১৫৮ জন করোনা পজিটিভ রোগী শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে ১২০ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। করোনা আক্রান্ত হয়ে জেলায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবারের  ফলাফলে পাঁচজনই  স্থানীয়ভাবে সংক্রমিত হয়েছে বলে ধারণা করছেন সিভিল সার্জন।জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার ১৮ বিজিবির ৫৭ বছর বয়সী নায়েক সুবেদার রয়েছেন। তিনি গত ২৫ জুন থেকে জ্বরে ভুগতেছিলেন।এর আগে তিনি পেশাগত দায়িত্ব পালনে সৈয়দপুর, দিনাজপুর ও তেঁতুলিয়ায় গিয়েছিলেন। এর পর গত ৪ জুলাই তার নমুনা সংগ্রহ করে স্বাস্থ্য বিভাগ সোমবার রাতে তার করোনা পজিটিভ ফলাফল আসে। সদর উপজেলার ৪৮ বছর বয়সী পুলিশের একজন সদস্য গত কয়েকদিন থেকে জ্বর অনুভব করলে গত ৪ জুলাই তার নমুনা সংগ্রহ করে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। সোমবার তার করোনা পজিটিভ ফলাফল আসে।
এদিকে সদর উপজেলার পুরাতন ক্যাম্প এলাকার একজন অবসরপ্রাপ্ত সচিব  ও তার স্ত্রী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।ওই দম্পতির ছেলে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. শরীফ আফজাল এর আগে করোনায় আক্রান্ত হয়। ফলে তাদের নমুনা সংগ্রহ করে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। তাদের করোনা পজিটিভ ফলাফল আসে।এদিকে বোদা উপজেলার দুজনের মধ্যে ৪৫ বছর বয়সী একজন যুবক তিনি গত শুক্রবার চট্টগ্রাম হতে নিজ গ্রামে ফিরে আসেন। তারপর গত শনিবার (৪ জুলাই) তার নমুনা সংগ্রহ করে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।
তার করোনা পজিটিভ ফলাফল এসেছে। তিনি বর্তমানে সুস্থ্ আছেন।বোদা উপজেলার আরেকজন ৪৬ বছর এক ব্যক্তি। তিনি জ্বর ও গলা ব্যথায় ভুগতেছিলেন। গত ৪ জুলাই তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। তার করোনা পজিটিভ ফলাফল আসে।এদিকে দেবীগঞ্জ উপজেলার মুন্সিপাড়ায় ৪৭ বছর বয়সী ব্যক্তি স্থানীয় শেখ বাধা রেয়াজিয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক। তিনি গত ২৩ তারিখ হতে জ্বর ও সর্দিতে ভুগতেছিলেন। নিজেই দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে গত ৪ জুলাই নমুনা দেন। তার ফলাফল করোনা পজিটিভ আসে। তবে আক্রান্তরা সবাই সুস্থ আছেন বলে জানায় স্বাস্থ্য বিভাগ।নিজ নিজ বাড়িতে কোয়ারেন্টাইনে স্বাস্থ্য বিভাগের তত্ত¡াবধানে চিকিৎসা নিচ্ছেন তারা। শঙ্কা-ভয় থাকলেও উপসর্গহীন অনেকে সুস্থ হওয়ায় কিছুটা স্বস্তি ফিরছে মানুষের মাঝে।